চুয়াডাঙ্গায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পৃথক অভিযানে ৬ কেজি ২০ গ্রাম গাঁজা এবং ৭০টি টাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় মোট ৪ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে দুইজনকে সামারি ট্রায়ালে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২০০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একজন পলাতক এবং অপর এক আসামীর বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয় চুয়াডাঙ্গা সূত্রে জানা যায়, গত ৫ জুলাই সকাল ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত জেলার জীবননগর ও আলমডাঙ্গা থানার বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের এক পর্যায়ে জীবননগর উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের মাধবখালী মন্ডলপাড়া গ্রামের সাহেরা খাতুন (৩৯)-এর বসতবাড়ির রান্নাঘরে খড়ের মধ্যে লুকিয়ে রাখা একটি প্লাস্টিকের বস্তা থেকে ৬টি পৃথক পোটলায় মোট ৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় সাহেরা খাতুনকে আসামি করা হলেও তিনি পলাতক রয়েছেন। এছাড়া আলমডাঙ্গা থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে শাকিল হোসেন (২১)-এর কাছ থেকে ১০ গ্রাম গাঁজা, বাদল রশিদ (৩৪)-এর কাছ থেকে ১০ গ্রাম গাঁজা এবং স্বাধীন ইসলাম (১৬)-এর কাছ থেকে ৭০টি টাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত ৬ কেজি গাঁজার আনুমানিক বাজারমূল্য ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা বলে জানিয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এ ঘটনায় ব্যবস্থা পরিদর্শক মনিরুজ্জামান বাদী হয়ে জীবননগর ও আলমডাঙ্গা থানায় পৃথক নিয়মিত মামলা দায়ের করেন। পরে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শাহীনুর আক্তার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, আলমডাঙ্গা, সামারি ট্রায়ালে শাকিল হোসেন ও বাদল রশিদকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। অন্যদিকে, স্বাধীন ইসলামের বিরুদ্ধে আলমডাঙ্গা থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে, আর সাহেরা খাতুন পলাতক থাকায় তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।